মার্কেট পালস

আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একটি স্ন্যাপশট। উচ্চ সুদের হার এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে সতর্ক মনোভাব বিরাজ করছে।

ডিএসইএক্স ইনডেক্স

~৪,৮৩৮

▼ H1 2025-এ ৭.৩% পতন

গড় দৈনিক টার্নওভার

~৩.৮ বিলিয়ন টাকা

▼ বছরে ৩৯% পতন

বিনিয়োগকারীদের মনোভাব

সতর্ক

অনেক বিনিয়োগকারী সাইডলাইনে

ডিএসইএক্স ইনডেক্সের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স

আপনার বিনিয়োগের পথ খুঁজুন

কোন বিনিয়োগ পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত তা জানতে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিন। আপনার লক্ষ্য, সময় এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতার উপর এটি নির্ভর করে।

১. আপনার প্রধান বিনিয়োগের লক্ষ্য কী?

২. বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য আপনি কতটা সময় দিতে পারবেন?

৩. ঝুঁকি সম্পর্কে আপনার মনোভাব কেমন?

নমুনা স্টকগুলো দেখুন

ডিএসই-এর বিভিন্ন কোম্পানির উদাহরণ দেখতে বিভাগ অনুযায়ী স্টক ফিল্টার করুন। ডেটা আগস্ট ২০২৫ অনুযায়ী আনুমানিক এবং শুধুমাত্র দৃষ্টান্তমূলক উদ্দেশ্যে।

আপনার বিনিয়োগ শুরুর গাইড

আপনার বিনিয়োগ যাত্রা শুরু করতে এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন। ব্রোকার নির্বাচন থেকে শুরু করে আপনার অ্যাকাউন্ট খোলা পর্যন্ত, এখানে আপনার যা জানা দরকার তা রয়েছে।

নিরাপত্তা এবং পরিষেবার জন্য, নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যাংক-অধিভুক্ত বা বড়, প্রতিষ্ঠিত ব্রোকার সবচেয়ে নিরাপদ। তারা শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম এবং নির্দেশিকা প্রদান করে।

  • ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড (বৃহত্তম ব্রোকার, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক)
  • ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড (বিদেশী পোর্টফোলিও প্রবাহ পরিচালনায় শক্তিশালী)
  • ইবিএল সিকিউরিটিজ পিএলসি (ধারাবাহিকভাবে শীর্ষ-১০ ব্রোকার, ট্রেডিং অ্যাপ আছে)
  • প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড (দ্রুত অনলাইন বিও অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা)
  • আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড (বৃহত্তম নন-ব্যাংক আর্থিক গোষ্ঠীর অংশ)
  • লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসি (দীর্ঘদিনের, #১ বিজ্ঞাপিত ব্রোকার)

সিকিউরিটিজ রাখার জন্য একটি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার) অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন। বেশিরভাগ ব্রোকার এখন সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়া অফার করে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের চেকলিস্ট:

  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা বৈধ পাসপোর্টের কপি
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (বাতিল চেক বা ব্যাংক সার্টিফিকেট)
  • নমিনির ছবি এবং NID কপি
  • NRB-দের জন্য: পাসপোর্ট, ভিসা, আয়ের প্রমাণ, FC/NITA অ্যাকাউন্টের বিবরণ

প্রক্রিয়াটির মধ্যে ফর্ম পূরণ, ডকুমেন্ট আপলোড এবং অনলাইনে একটি ছোট ফি (যেমন, ১০০ টাকা) প্রদান করা জড়িত। আপনার ব্রোকার আপনাকে গাইড করবে।

ছোট থেকে শুরু করুন এবং স্বল্প মেয়াদে প্রয়োজন হতে পারে এমন টাকা কখনও বিনিয়োগ করবেন না। ৩-৬ মাসের জরুরি তহবিল আলাদা রাখুন।

নতুনদের জন্য কৌশল:

  • ডলার-কস্ট অ্যাভারেজিং: নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ (যেমন, মাসে ২-৫ হাজার টাকা) বিনিয়োগ করুন। এটি ঝুঁকি কমায়।
  • এককালীন বিনিয়োগে সতর্কতা: যদি আপনার কাছে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা থাকে (যেমন, ১ লক্ষ টাকা), তাহলে প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র একটি অংশ (২০-৫০%) বিনিয়োগ করার কথা বিবেচনা করুন।
  • ডাইভারসিফাই করুন: আপনার সমস্ত তহবিল এক বা দুটি স্টকে রাখবেন না। ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন খাতের ৪-৫টি কোর স্টক দিয়ে শুরু করুন।

কঠিন বাজারের জন্য স্মার্ট অভ্যাস

বাজার খারাপ থাকলেও, শৃঙ্খলাবদ্ধ অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ তৈরি করতে পারে। এখানে অনুসরণ করার জন্য মূল নীতিগুলি রয়েছে।

📈 নিয়মিত বিনিয়োগ (SIP)

প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করুন। এটি সময়ের সাথে আপনার গড় ক্রয় মূল্যকে মসৃণ করে।

🌐 ডাইভারসিফিকেশন

ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন খাতে (টেলিকম, ফার্মা, ব্যাংক) বিনিয়োগ ছড়িয়ে দিন।

💎 গুণমান ও ডিভিডেন্ডে ফোকাস

শক্তিশালী আর্থিক অবস্থা এবং ধারাবাহিক ডিভিডেন্ড প্রদানকারী কোম্পানিগুলিকে অগ্রাধিকার দিন।

🧘 ধৈর্য এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি

আতঙ্কিত হয়ে বিক্রি করা থেকে বিরত থাকুন। বাজার পতনকে সস্তায় ভাল কোম্পানি কেনার সুযোগ হিসাবে দেখুন।

📚 ক্রমাগত শেখা

অবগত থাকুন, আপনার পরিকল্পনায় লেগে থাকুন এবং গুজব বা আবেগের উপর ভিত্তি করে ট্রেডিং এড়িয়ে চলুন।

💰 ডিভিডেন্ড পুনঃবিনিয়োগ করুন

আরও শেয়ার কিনতে ডিভিডেন্ড আয় ব্যবহার করুন, যা চক্রবৃদ্ধির শক্তিকে ত্বরান্বিত করে।